রনির প্রিয় পোষা বিড়াল মিনি। সকালে উঠেই সে মিনির খোঁজ করে, স্কুল থেকে ফিরে মিনিকে খাওয়ায়। বিকালে মিনিকে নিয়ে খেলা করে বাগানে। দিন শেষে রনি যখন পড়তে বসে, মিনি তখন তার পায়ের কাছে বসে থাকে।
রনির মধ্যে 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের লেখকের পশুপ্রীতির দিকটি ফুটে উঠেছে।
মানুষ স্নেহপ্রবণ বলে চারপাশের বিভিন্ন জীব-জন্তু, পশু-পাখির প্রতি তার স্নেহ-মমতা জন্মে। এ অনুভূতি থেকে অনেকেই বাড়িতে নানা রকম জীব-জন্তু, পাখি পোষে। মানুষের প্রাত্যহিক জীবনযাপনে এসব পোষা প্রাণীর প্রভাব লক্ষ করা যায়।
উদ্দীপকে একটি পোষা বিড়ালের সঙ্গে রনির সম্পর্কের দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। রনি স্কুল থেকে ফিরেই তার পোষা বিড়াল মিনির খোঁজ নেয়, তাকে খাবার খাওয়ায়, তাকে নিয়ে বাগানে খেলা করে। মিনিও রনির পড়ার সময় তার পায়ের কাছে বসে থাকে। উদ্দীপকের রনির এই পশুপ্রীতি এবং 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের লেখকের পশুপ্রীতি সাদৃশ্যপূর্ণ। লেখকও তার অতিথি কুকুরটির খোঁজখবর নেন, তাকে খাবার দিতে বলেন। বাইরে হাঁটার সময় তাকে সঙ্গে নিয়ে যান। কুকুরটি তার পোষা নয়, কিন্তু অল্প দিনের পরিচয় হলেও তিনি প্রাণীটির প্রতি গভীর অনুরাগী। কুকুরটিও শেষ পর্যন্ত স্টেশনে লেখককে পৌঁছে দিয়ে তাঁর স্নেহের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?